এনসিপির নেতা হাসনাত আবদুল্লাহ জানান, বিএনপির মনোনীত প্রার্থী মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর বিরুদ্ধে ব্যাংকের ঋণখেলাপের অভিযোগ আছে। তিনি বিগত সময়ে একাধিক আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে লোন নিয়ে সেটি আর ফেরত দেননি। তিনি এসব তথ্য গোপন করেছেন, হাইকোর্টের দেওয়া স্থগিতাদেশের তথ্যও তিনি গোপন করেছেন। এটি ব্যক্তিগত তথ্য গোপনের পর্যায়ে পড়ে। নির্বাচনী আচরণবিধিমালয় সুস্পষ্টভাবে বলা আছে, কোনো প্রার্থী যদি হলফনামায় তথ্য গোপন করেন, তাহলে তাঁর প্রার্থিতা বাতিলের বিধান রয়েছে।
এসব অভিযোগের পর্যাপ্ত যুক্তি এবং পর্যাপ্ত তথ্য তুলে ধরার পরও রিটার্নিং কর্মকর্তা এসব আমলে নেননি বলে দাবি করেন হাসনাত। প্রশাসনের নিরপেক্ষ আচরণের প্রশ্ন তুলে তিনি বলেন, ‘আমাদের কাছে মনে হচ্ছে, প্রশাসন বিএনপির দিকে ঝুঁকে গিয়েছে।’ প্রশাসনের এই ‘দ্বিচারিতামূলক’ আচরণের মধ্যে নির্বাচন কতটা নিরপেক্ষ, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক হবে, তা নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি।
কতিপয় রাজনৈতিক দল প্রশাসন এবং পুলিশকে নিয়ন্ত্রণ করতে চায় বলেও মন্তব্য করেন হাসনাত আবদুল্লাহ। তিনি বলেন, ‘জুলাই গণ–অভ্যুত্থানপরবর্তী সময়ে বিভিন্ন স্থানে হামলা হয়েছে। আমরা দেখেছি, প্রকাশ্যে হাদি ভাইকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। স্পষ্ট প্রমাণ থাকার পরও এখন পর্যন্ত প্রশাসন দৃশ্যমান কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। এখানে প্রশাসনের গাফিলতির বিষয়টি পরিষ্কার।’
মন্তব্য করুন
সকল মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য আসেনি। প্রথম মন্তব্যটি করুন।